Connect with us

পলিটিক্স

চলতি মার্চ মাসে রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ , প্রস্তুতি তুঙ্গে বিজেপি শিবিরে ।

Published

on

পশ্চিমবঙ্গে পুনঃরায় ২ দিনের জন্য প্রচারে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমিত শাহ ।

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গে ৮ দাফায় ভোট এর জন্য দিন ঘোষণা করেন । তার পরেই চলছে রাজনৈতিক চাপানোত্তর । কয়েক দিন আগে রাজ্য সফরে এসেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমিত সাহ । এবার আবারো রাজ্যে আসতে চলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। খবর অনুযায়ী, চলতি মার্চ মাসে দু দিনের জন্য পশ্চিমবঙ্গে আসতে চলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ভোটের ঘোষণার পরে প্রথমবারের জন্য রাজ্যে আসতে চলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সূত্রের খবর, ১৩ এবং ১৪ তারিখ বাংলায় আসছেন অমিত। তাই প্রস্তুতি তুঙ্গে বিজেপি শিবিরে।

শনি এবং রবিবার রাজ্যে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেড সমাবেশের দিন ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছিল আর কিছুদিনের মধ্যেই রাজ্যে আসবেন অমিত শাহ । সেই অনুযায়ী ব্রিগেড সমাবেশের পর পর অমিত শাহের বাংলা সফরের তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মোদির ব্রিগেড সমাবেশ গত ৭ ই মার্চ মিটে গিয়েছে, আর এবারে রাজ্যে অমিত শাহ এর আসার পালা।

ইতিমধ্যেই অমিত শাহের কর্মসূচির নতুন তারিখ নির্ধারিত হয়ে গিয়েছে। বিজেপি এবার টার্গেট নিয়েছে, ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে বাংলা জয় মূল লক্ষ্য। আর সেই উদ্দেশ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। বারংবার রাজ্য সফরে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় নেতারা। রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং আরো অনেকে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পলিটিক্স

‘ বাংলায় সরকার গড়লে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হবেন ভূমিপুত্র ’, কাঁথি সভা থেকে বার্তা মোদির ।

Published

on

মোদি কাঁথির সভা থেকে জোর গলায় দাবি করেছেন যে বিজেপি সরকার বাংলায় এলে বাংলার ভূমিপুত্র মুখ্যমন্ত্রী হবেন ।

আজ বুধবার ইং-২৪/০৩/২০২১ এ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিম বঙ্গের কাঁথি তে জানাসভা করতে এসে ” জোর গলায় বললেন যে বিজেপি সরকার বাংলায় এলে বাংলার ভূমিপুত্র ই মুখ্যমন্ত্রী হবেন ।

একুশে বাংলা বিধানসভা নির্বাচনের আগে গেরুয়া শিবির পুরোদমে ভোট প্রচারের কাজে মাঠে নেমে পড়েছে। আজ বুধবার বাংলায় এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি কাঁথি থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যু নিয়ে গলায় সুর তুললেন। তৃণমূলের বহিরাগত ইস্যু প্রসঙ্গে পাল্টা কটাক্ষ করে মোদি বলেছেন, “কবিগুরুর এই বাংলা কাউকে বহিরাগত মনে করে না।” এছাড়াও তিনি শাসক দলকে কটাক্ষ করে বলেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার বিধানসভা নির্বাচনকে “বাঙালি বনাম গুজরাটি” বা “বাঙালি বনাম দিল্লির” লড়াই হিসেবে তুলে ধরছেন। এরকম অরাজকতা চলতে দেওয়া চলবে না। অবশ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বা তৃণমূলের খেলা শেষ। আসল পরিবর্তন আসবে বাংলায়। বাংলার বাচ্চারাও ওদের খেলা ধরে ফেলেছে। আপনি খেলা করবেন আমরা সেবা করব। সেবাই আমাদের একমাত্র ধর্ম।”

এছাড়াও এদিন প্রধানমন্ত্রী জোর গলায় দাবি করেছেন, “এই পবিত্র বঙ্গভূমি দেখতেও বহিরাগত নয়। যে মাটিতে রাজা রামমোহন রায়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মাতঙ্গিনী হাজরা, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মেছেন, সেই মাটিতে কেউ বহিরাগত হতে পারে না। বাঙালি সবাইকে আপন করে নেয়। এটাই তাদের ধর্ম। এখানে কোন ভারতবাসী বহিরাগত নয়।” সেইসাথে প্রধানমন্ত্রী হুংকার দিয়ে বলেছেন, “বিজেপি নির্বাচনের পর বাংলায় সরকার গড়লে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হবে ভূমিপুত্র।” এখানেই থেমে যায়নি প্রধানমন্ত্রী। তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশ্ন ছুড়ে বলেছেন, “গত ১০ বছরে কি কাজ করেছেন? তার হিসাব দিতে পারবেন? হিসাব চাইলে তাকে গালি দিচ্ছেন কেন?”

তিনি বলেছেন, “দরকারে দিদির দেখা পাওয়া যায় না। আর ভোটের আগে শুরু করেছে দুয়ারে সরকার। এই খেলা সবাই ধরে ফেলেছে। ২ মে বাংলার মানুষ দিদিকে দুয়ার দেখাবে। বাংলার লোকেরা দরজা দেখিয়ে দেবে। এখন মা-বোনেরা রাস্তায় বেরিয়ে আসে তৃণমূলকে শাস্তি দেওয়ার জন্য। বাংলায় চাই শিক্ষা, শিল্প, নারী সুরক্ষা, কর্মসংস্থান, কর্মচারী সম্মান প্রভৃতি। তৃণমূল কংগ্রেসে গুলো কখনোই দেবে না।” সেইসাথে প্রধানমন্ত্রী দলীয় কর্মীদের জন্য ভোটের আগে নতুন স্লোগান বেঁধে বলেছেন, “বাংলার দরকার, বিজেপি সরকার।”

তিনি আরও বলেন যে চলতি বিধান সভা ভোট প্রচারে আরও একবার নয় , দারকার পড়লে আমি বারবার বাংলায় আসবো ও সাধারন মানুষের পাশে আছি ও চীরদিনের জন্য থাকবো ।

Continue Reading

পলিটিক্স

নন্দীগ্রামে প্রচারে গিয়ে পায়ে ও কোমরে গুরুতর চোট, তড়িঘড়ি কলকাতায় ফিরছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Published

on

নন্দীগ্রামে মন্দির দর্শন এর সময় ভিড়ের মধ্যে তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় ৪-৫ জন অচেনা লোক, অভিযোগ মমতার ।নন্দীগ্রামে গিয়ে পায়ে চোট পেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গ্রিন করিডরের মধ্য় দিয়ে কলকাতায় আনা হচ্ছে তৃণমূলনেত্রীকে। নিয়ে যাওয়া হবে এসএসকেএমে।

দিনভর মন্দিরে পুজো থেকে ধর্মানুষ্ঠান।  তারপর নন্দীগ্রাম থেকে হলদিয়া গিয়ে মনোনয়ন দাখিল। তারপর নন্দীগ্রাম ফিরে আসা। আজ নন্দীগ্রামে থাকার কথা ছিল মমতার। কিন্তু, সন্ধেয় আচমকাই আঘাত পেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মাথায়, পায়ে ও কোমরে চোট পেয়ে নন্দীগ্রাম থেকে কলকাতায় ফিরছেন তৃণমূল নেত্রী তথা নন্দীগ্রামের প্রার্থী।

নন্দীগ্রামে আসার পরে ভিড়ের মধ্যে চক্রান্ত করে তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় ৪-৫ জন দুষ্কৃতী। যার ফলে গুরুতর আহত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যাচ্ছে তার বাঁ পায়ে, কপালে গুরুতর চোট রয়েছে। এছাড়াও তার পিঠে ও কোমরে যন্ত্রণা রয়েছে বলে সুত্রের খবর। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল সূত্রে অভিযোগ, বিজেপির গুন্ডারা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে এভাবে আক্রমণ করেছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘ভিড়ের মধ্যে ৪-৫ জন ঢুকে পড়েছিল বাইরে থেকে। তারাই আমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। আমাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা মারা হয়েছে এবং এর পিছনে বিরধিদের ষড়যন্ত্র রয়েছে।”

সেই সময় পুলিশের কেউ আশে পাশে ছিল না বলে তার দেহরক্ষীরা তাকে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। বাড়ির পথে যাবার সময় অসম্ভব যন্ত্রণা অনুভব করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে একটি দোকান থেকে বরফ কিনে এনে তার পায়ে মালিশ করা শুরু করা হয়। কিন্তু তাতেও তেমন কোন কাজ হয়নি।

বাড়ির কাছাকাছি পৌছুতে আরো যন্ত্রণা অনুভব করতে শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পায়ের পাশাপাশি পিঠেও যন্ত্রণা শুরু হয় তার। সঙ্গে সঙ্গে থেকে কলকাতায় ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল। গোটা ঘটনার জন্য তৃণমূলের তরফ থেকে দায়ী করা হয়েছে বিজেপিকে। অভিযোগ উঠেছে শুভেন্দু অধিকারীর চক্রাতে বিজেপি কর্মীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে ফেলে দিয়েছে।

অন্যদিকে বিজেপির নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। দ্রুত সুস্থ হয়ে ফিরে আসুন। অভিযোগ গুরুতর তাই তদন্ত করে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সকলেই জানতে চাইছেন ঠিক ঘটেছে কি।” অন্যদিকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, ‘এটা একটা নির্বাচনী গিমিক। পুলিশ মন্ত্রী বলছেন পুলিশ ছিল না এটা সম্ভব নয়। তাহলে মমতা স্বীকার করুন রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি একেবারে ভেঙ্গে পড়েছে।”

Continue Reading

Trending